Showing posts with label ভিন্ন খবর. Show all posts
Showing posts with label ভিন্ন খবর. Show all posts

Sunday, January 26, 2025

শীত নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস।

শীত নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস।

 


তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ সারা দেশের অনেক জায়গায় জেঁকে বসেছে শীত। রাজধানীতেও শীতের অনুভূতি কিছুটা বেড়েছে। ঘন কুয়াশার সঙ্গে হিম বাতাস যোগ হওয়ায় শীতের মাত্রা অনেকটা বেড়েছে। এমন অবস্থার মধ্যে শীতে নিয়ে দুঃসংবাদ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

শনিবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে দেওয়া আবহাওয়া বার্তায় জানানো হয়েছে, সারা দেশে আগামী তিনদিন দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমবে। তবে আগামী পাঁচদিনের প্রথম থেকেই তাপমাত্রা আবারও বাড়বে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

এতে বলা হয়, আগামী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সেই সঙ্গে দিনাজপুর ও পঞ্চগড়ের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে ও বিস্তার লাভ করতে পারে।

এছাড়া দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কোথাও কোথাও রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে এবং তা অন্যত্র সামান্য হ্রাস পেতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

রোববার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। তবে শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

সোমবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। তবে শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

Thursday, January 16, 2025

ঐতিহ্যবাহী গোয়াহরী বিলে পলো বাওয়া উৎসব

ঐতিহ্যবাহী গোয়াহরী বিলে পলো বাওয়া উৎসব

 

তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ প্রতিবারের ন্যায় এবারও সিলেটে ঐতিহ্যবাহী পলো বাওয়া উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাঘ মাসের প্রথম দিনে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় পলো বাওয়া উৎসব করা হয়। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের গোয়াহরী গ্রামের বড় বিলে মাছ ধরার জন্য শতাধিক মানুষ পলো, ঠেলা জালসহ বিভিন্ন ধরনের মাছ ধরার যন্ত্র নিয়ে বিলের পাড়ে সমবেত হন। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোয়াহরী বিলে রুই, কাতলা, বোয়াল, কার্প, গজার, শোল, মৃগেল, গ্রাসকার্প বিভিন্ন প্রজাতির ছোটবড় মাছ ধরে হাসিমুখে বাড়ি ফেরে লোকজন। এই পলো বাওয়া উপভোগ করতে এলাকার শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ নারী-পুরুষ সকলেই সমবেত হন।

বালাগঞ্জ উপজেলার যুক্তরাজ্য প্রবাসী তোফায়েল আহমদ সুমন ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমি প্রায় তিন বছর পর দেশে এসেছি। দৌলতপুর এলাকায় আমার বন্ধুর বাড়ি। তার দাওয়াতে এখানে আগেও এসেছি। এবারও আসলাম। এইখানে অনেক আনন্দের সঙ্গে আমরা মাছ ধরি। এটি এই জায়গার ঐতিহ্য। 

স্থানীয় বাসিন্দা জাবেদ হাসান বলেন, আমি নিজে ও আমার ভাইয়েরা অনেকগুলো মাছ পেয়েছি এই বিলে। বাড়িতে অনেক মেহমানকে দাওয়াত করেছি। তাদেরকে নিয়ে রাতে মাছগুলো রান্না করে খাওয়া হবে। এদিন আমাদের জন্য অনেক আনন্দের। আমরা আমাদের এলাকায় এই পলো বাওয়া উৎসব ধরে রাখতে চাই।

Wednesday, January 15, 2025

স্কুলবন্ধুদের সঙ্গে আনন্দে মাতলেন ফখরুল, কণ্ঠে ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’

স্কুলবন্ধুদের সঙ্গে আনন্দে মাতলেন ফখরুল, কণ্ঠে ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’



 তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ দীর্ঘদিন পর স্কুলের সহপাঠীদের সঙ্গে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে উঠলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পুরোনো বন্ধুদের কাছে পেয়ে কিছুক্ষণের জন্য হারিয়ে যান শৈশবে। আবেগাপ্লুতও হলেন স্মৃতিচারণে। নিজকণ্ঠে বাল্যবন্ধুদের শোনালেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা।

বুধবার ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় হাওলাদার হিমাগার লিমিটেড প্রাঙ্গণে শৈশবের বন্ধুদের আয়োজিত মিলনমেলায় উপস্থিত হন বিএনপি মহাসচিব। তবে এসময় তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি।
শৈশবের বন্ধুদের স্মৃতির কথা বলতে গিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু কুদ্দুস আমাদের মাঝে থেকে অনেক আগেই চলে গেছে। মনোয়ার চলে গেছে, যার সঙ্গে সারাদিনে একবার দেখা না হলে খারাপ লাগতো। অনেকেই আমাদের কাছ থেকে চলে গেছে। যারা এখনো বেঁচে আছি, আমরা একটু বাঁচার মতো বাঁচতে চাই। এই বাঁচাটা হচ্ছে নিজেকে অনুভব করা আমি আছি, আমি বেঁচে আছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের বন্ধুদের মধ্যে অনেকেই অসুস্থ। আজ সকালে বন্ধু আনিসুরকে দেখতে গেছিলাম। একেবারেই শয্যাশায়ী, নিয়মিত চিকিৎসা নিচ্ছে। জানি না আমরা কে কখন চলে যাবো। কিন্তু যাওয়ার আগে অন্তত আজকের দিনটা আমাদের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’
স্কুলজীবনের স্মৃতি হাতড়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘যখন স্কুলে পড়ি খুবই দুষ্টু ছিলাম। বখরান সাহেব ছিলেন আমাদের ক্যাপ্টেন। আমরা দুষ্টুমি করতাম আর ক্যাপ্টেন আমাদের নামে হেড স্যার রোস্তম আলী স্যারকে নালিশ করলেন। তার কিছুদিন পর হেড স্যার আমাদের সবাইকে ডেকে পাঠালেন। ঘরের ভেতরে লাইন করে দাঁড় করালেন এবং সবাইকে একটা করে বেত দিলেন (মারলেন)। আমাদের সেই শৈশব ও স্কুলের জীবন আমি কখনোই ভুলতে পারি না। আমার সবসময় মনে আমার সেই দিনগুলো যদি আমার ফিরে পেতাম।’
স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘স্বাধীনতার পরে বন্ধুদের সঙ্গে রংপুরে এক কাজে গিয়েছিলাম। রাতের বেলা কী করবো? তাই ঠিক করলাম সিনেমা দেখবো। কিন্তু সিনেমা দেখার জন্য তখন আমাদের হাতে টিকিট ছিল না। তারপরও ভিড় ডিঙিয়ে টিকিটের ব্যবস্থা করে সিনেমা দেখেছি। এগুলো আমার কাছে এখনো মধুর স্মৃতি হয়ে আছে।’

এসময় কবিতা আবৃত্তির অনুরোধ করা হলে তিনি বলেন, একসময় আবৃত্তি করতাম, এখন বক্তৃতা করি। তারপরও আমি চেষ্টা করবো। কারণ একসময় আমিও নাটক করেছি, রঙ মেখেছি, একসময় নাট্যগোষ্ঠী করতাম।’

পরে তিনি তার প্রিয় কবিতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’ আবৃত্তি করে শোনান বন্ধুদের।


Thursday, January 9, 2025

বিশ্বের সবচেয়ে বুদ্ধিমান ১০ প্রানী

বিশ্বের সবচেয়ে বুদ্ধিমান ১০ প্রানী

 
তিস্তা নিউজ ডেস্ক ঃ 

বিশ্বের সবচেয়ে বুদ্ধিমান ১০ প্রাণী

প্রাণিজগৎ বুদ্ধিমান প্রাণীতে ভরপুর। তবে এ জগতে কে কতটা বুদ্ধিমান, তা নির্ণয় করা এক জটিল বিষয়। কিন্তু এটা ঠিক, প্রাণিজগতে আমরা মানুষেরাই শুধু বুদ্ধিমান নই। কেননা, আমরা এমন আচরণ দেখতে পাই, যা আগে মানুষের জন্য অনন্য বলে মনে করা হলেও দূর–সম্পর্কিত অন্যান্য প্রজাতির মধ্যেও প্রতিফলিত হয়। আবার, এসব প্রজাতিকে আমরা এদের মস্তিষ্ককে এক ‘পরাশক্তির’ মতো ব্যবহার করতে দেখি।
প্রকৃতপক্ষে, প্রাণিজগতে মেধাবী মনের এত বৈচিত্র্য যে এদের তুলনা করা খুবই কঠিন। শুধু মানুষ ছাড়া কোনো প্রজাতির প্রাণীর জন্য উপযুক্ত আইকিউ পরীক্ষার ব্যবস্থা নেই। যাহোক, বিশ্বের সবচেয়ে বুদ্ধিমান ১০ প্রাণীর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে বিবিসি সায়েন্স ফোকাস সাময়িকী। তালিকার ক্রম বুদ্ধিমত্তার ভিত্তিতে করা নয়। আসুন, জেনে নেওয়া যাক কারা আছে সেই তালিকায়—

১। শিম্পাঞ্জি

২। ডলফিন 

৩।  অক্টোপাস

৪। কুকুর

৫। ওরাংওটাং

৬। কাক

৭। আফ্রিকান গ্রে প্যারট

৮। ভ্রমর

৯। গরিলা

১০। মানুষ

Monday, January 6, 2025

সৈয়দপুরে রাস্তার পাশে পড়ে থাকা বৃদ্ধা রেহানা বেওয়ারকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বৃদ্ধাশ্রমে

সৈয়দপুরে রাস্তার পাশে পড়ে থাকা বৃদ্ধা রেহানা বেওয়ারকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বৃদ্ধাশ্রমে

 

সৈয়দপুর প্রতিনিধি : 

জ্বরে কাঁপছিলেন বৃদ্ধা। বাড়িভাড়া দিতে না পারায় বাড়িওয়ালা তাঁকে ফেলে রেখে যান পথের ধারে। তাঁর শরীবের এক পাশ পুরোপুরি পক্ষাঘাতগ্রস্ত। কনকনে শীতে কষ্ট পাচ্ছিলেন। খবর পেয়ে গতকাল রোববার রাতে স্থানীয় কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবী তাঁকে উদ্ধার করে পাশের কিশোরগঞ্জ উপজেলার নিরাপদ বৃদ্ধাশ্রমে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

৬০ বছরের কাছাকাছি ওই বৃদ্ধার নাম রেহানা বেওয়া। থাকতেন নীলফামারী সৈয়দপুর শহরের বাঁশাবাড়ি মহল্লার ভাড়াবাড়িতে। অনেক আগেই স্বামী মারা গেছে তাঁর। এরপর থাকতেন একমাত্র ছেলের সঙ্গে। ২০২২ সালে ছেলেও মারা যায়। এ অবস্থায় পুত্রবধূর সঙ্গে বাঁশবাড়ি মহল্লার ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। এক বছরের মাথায় পুত্রবধূ অন্যত্র বিয়ে করে চলে যান। একা হয়ে যান বৃদ্ধা রেহানা।

এদিকে প্রায় এক বছরের বাড়িভাড়া বকেয়া পড়ে রেহানা বেওয়ার। ছেলের বউ মাঝেমধ্যে কিছু টাকা পাঠাতেন। সেই টাকায় কোনো রকমে চলতেন তিনি। কিন্তু বাড়িভাড়া দেওয়ার সামর্থ্য ছিল না।

এমন অবস্থায় বাড়ির মালিক খড়ি ব্যবসায়ী আলিমুদ্দিন গতকাল রোববার সকালে রেহানাকে বাড়ি থেকে সাত কিলোমিটার দূরে কামারপুকুরের ডাঙ্গাপাড়ার রাস্তার পাশে ফেলে আসেন। সেখানে সারা দিন পড়েছিলেন। কাঁপা কাঁপা কণ্ঠে কথা বলছিলেন।

Thursday, January 2, 2025

নীলফামারীতে বাড়ছে সুপারির আবাদ-স্বাস্থ্যঝুঁকি

নীলফামারীতে বাড়ছে সুপারির আবাদ-স্বাস্থ্যঝুঁকি

 মাহমুদ আল হাসান নীলফামারী প্রতিনিধি:


নীলফামারীতে দিন দিন বাড়ছে সুপারি বা গুয়ার আবাদ এবং চাহিদা। চাহিদার কারণে এখন বাণিজ্যিক ভিত্তিতে এর চাষ বেড়েছে। সুপারি প্রধানত খাওয়া হয় পানের সঙ্গে। তবে এর সঙ্গে জর্দা, চুন ও মসলা খাওয়া হয়, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এ বিষয়ে মানুষের মাঝে কোনো সচেতনতা নেই।

সুপারির সঙ্গে জড়িয়ে আছে এ অঞ্চলের সুদীর্ঘকালের সামাজিকতা। কোনো বাড়িতে মেহমান বা জানাশোনা কেউ এলে তাকে পান খাওয়ানোর চল রীতিমতো সামাজিক প্রথা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর সুপারি ছাড়া পান খাওয়া তো অসম্ভব কল্পনা। কিন্তু সুপারি যে জনস্বাস্থ্যের জন্য বেশ ক্ষতিকর তা কয়জন জানেন।

এ জেলার এক-তৃতীয়াংশ মানুষ সুপারি নানাভাবে খেয়ে অভ্যস্ত। স্থানীয় ভাষায় সুপারিকে গুয়া বলা হয়। এখানে সুপারিকে ভালোবাসার প্রতীক, বদহজম ও বন্ধ্যত্ব সমস্যার প্রতিকার হিসেবে দেখা হয়।

এ এলাকায় কারো একটি সুপারির বাগান থাকলে তাকে প্রভাবশালী পরিবার হিসেবে গণ্য করা হয়। জনশ্রুতি আছে, এখানে শত শত বছর ধরেই সুপারি খাওয়ার প্রচলন। এখানকার বাসিন্দারা সুপারি নেশার মতো করে খায়। তাই এর চাহিদাও বাড়ছে। সুপারি খাওয়া এখানে ট্রাডিশনে পরিণত হয়েছে।

এই অতিরিক্ত সুপারি খাওয়া নিয়ে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন। এর ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জ্ঞান না থাকায় ব্যাপক মাত্রায় মানুষ এটি খেয়েই যাচ্ছেন। সুপারি আসক্তদের মুখ ও গলার ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। এ জেলায় অতিরিক্ত সুপারি খাওয়ার কারণে হাজারেরও বেশি মানুষ রোগাক্রান্ত হচ্ছেন বলে চিকিৎসকদের দাবি। নিয়মিত সুপারি খেলে হৃদরোগ, পেটের নানান রোগ, গ্যাস্ট্রিক, আলসার, কিডনি রোগ, স্নায়ুতন্ত্রের রোগ, অনিদ্রা, মুখের ক্যানসারসহ দাঁতের সদস্যা দেখা দেয়।আন্তর্জাতিক ক্যানসার গবেষণা সংস্থা পান, সুপারি, জর্দা ও চুনে ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপাদান ‘কার্সিনোজেন’ শনাক্ত করেছে। এর মধ্যে চুন বেশি ক্ষতিকর। এটির ব্যবহারে মুখের ভেতর ছোট ছোট ক্ষত তৈরি হয়। ক্যানসারের অনেক উপাদান এসব ক্ষতের মাধ্যমেই চামড়ার ভেতরে প্রবেশ করে।

সুপারি সাধারণত তাজা, শুকনো কিংবা ভিজানো অবস্থায় খাওয়া হয়। আবার পান দিয়ে খিলি করেও খায়। সুপারিতে রয়েছে বিষাক্ত তামা, যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। সুপারি খাওয়ার পর তামার প্রভাবে তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাব সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা স্নায়ুতন্ত্রের ওপর কাজ করতে শুরু করে। এতে শরীরে সাময়িক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একটি সুপারির কার্যক্ষমতা ছয় কাপ কফির সমান।

Wednesday, January 1, 2025